Uncategorized

জাপানের স্কুলগুলোতে হালাল খাবারের সুযোগ

  • 403
  •  
  •  
  •  
    403
    Shares

বিবি নিউজ ডিজিটাল ডেস্কঃ জাপানে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মের শিক্ষার্থী থাকায় নিজস্ব ব্যবস্থাপনা ও সুবিধা মতো খাবার গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দেওয়া খাবারের পরিবর্তে বিকল্প খাবার গ্রহণে কোনো অসুবিধা নেই বলেও জানানো হয়েছে। খবর জাপান টাইমসের।

রোববার (২৩ জুন) জাপানের ইয়োকাকিচি পৌর সরকারের একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভবিষ্যতে মুসলিম শিশুদের সংখ্যা বাড়তে পারে। তাই বিবেচনা করে আমাদের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

ইয়োকাকিচিতে বাংলাদেশি দম্পতির অভিযোগের ভিত্তিতে স্কুলগুলোতে এমন ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত হয়। কারণ, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর বাবা-মা লক্ষ্য করেন যে, তাদের মেয়েকে শুয়রের মাংসের সঙ্গে ভাজা নুডলস পরিবেশন করা হচ্ছে।

ওই মেয়ের বাবা বলেন, আমাকে সবসময় বলা হয়েছে যে, শুয়রের মাংস সরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু এ ব্যাপারে সম্মতি জানানোর আমার কোনো ধরনের সুযোগ নেই। অভিযোগ করার পর শুকরের মাংসে ভাজা নুডলসের পরিবর্তে তারা অর্ধ-কলা ও স্যুপ দিতে শুরু করেন। তবে বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যাকগ্রাউন্ডের শিশুরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে না পারাটা অবশ্যই বৈষম্য।

ইন্দোনেশিয় ও পাকিস্তানের বংশোদ্ভুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে জাপানের চুবুর ২০টি শহরে শিক্ষার্থীদের খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিবর্তন এসেছে। ২০১৭ সালের অভ্যন্তরীণবিষয়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক মূল্যায়ন ব্যুরোর একটি জরিপ অনুসারে, শিক্ষাবোর্ড ১৪টি প্রাথমিক এবং জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের নিজস্ব ধর্মসম্মত খাবার আনার অনুমতি দেয়।
মিনাতো-নিশি শহরের নার্সারি স্কুলগুলোর ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী মুসলিম। সেখানকার শিশুদের জন্য মাংসের পরিবর্তে মাছ ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও তাদের জন্য আলাদা পাত্রে রান্না করা হয়।

মিউ ইউনিভার্সিটির মানবিক, আইন ও অর্থনীতি অনুষদের অধ্যাপক মিউকি ইনারি নার্সারি কর্মী এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ধর্মীয় বৈচিত্র্যের ওপর শিক্ষিত হতে আহ্বান জানান।

২৩ বছর আগে ইসলামে রূপান্তরিত হওয়া নাগোগা শিশু ও নারী ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান মেরিম রায়োকো তোতানি বলেন, জাপান আরো বহুজাতিক ও জনপ্রিয় খাদ্যে আরও বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠেছে। তবে বিদেশী লোকজন জাপানে আসতে পছন্দ করবে না, যতক্ষণ না জাতিকে বিভিন্ন নিয়ম-বিধিসহ সঠিকভাবে বোঝা না যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *