দেশ

ভারতের নীতি কাশ্মীরে জঙ্গিবাদ উসকে দিচ্ছে, হুঁশিয়ারি হিউম্যান রাইটস ওয়াচের

  • 326
  •  
  •  
  •  
    326
    Shares

বি.বি নিউজ ডেস্কঃ ভূস্বর্গ কাশ্মীরে ভারত সরকারের দমনমূলক কৌশল এবং মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে সেখানে জঙ্গি গ্রুপগুলোর পক্ষে ‘সমর্থন ও তাদের জনবল নিয়োগের’ মাত্রা বাড়ছে বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন।

মার্কিন কংগ্রেসে উপস্থাপিত এক লিখিত বিবৃতিতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ) আরও উল্লেখ করেছে যে, কাশ্মীরীদের বিক্ষোভ দমনের জন্য ভারত ‘অতিরিক্ত শক্তি’ ব্যবহার করছে।

এইচআরডাব্লিউ’র এশিয়া অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টার জন সিফটন বলেন, “কাশ্মীরের অতীতের সমস্ত সমস্যার জন্য ভারত সরকার ক্রস-বর্ডার জঙ্গি গ্রুপ এবং তাদের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থনের মতো বাইরের বিষয়গুলোর উপর বেশি নজর দিয়েছে এবং সরকারের দমন নীতি ও অধিকার লঙ্ঘনের কৌশলগুলোকে অবজ্ঞা করে এসেছে, যেগুলোর কারণে জঙ্গি গ্রুপগুলোর প্রতি মানুষের সমর্থন এবং তাদের জনবল নিয়োগের মাত্রা বেড়েছে”।

সিফটনসহ অর্ধ-ডজন ব্যক্তি ইউএস কংগ্রেস টম ল্যান্টোস হিউম্যান রাইটস কমিশনের সামনে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে সাক্ষ্য দেন। লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কাশ্মীরে সহিংস বিক্ষোভ ও জঙ্গি হামলার মাত্রা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ দমনে প্রায়ই অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করছে। এর মধ্যে জনতাকে দমনের জন্য ছড়ড়া বন্দুক ব্যবহার করা হয় প্রায়ই, যেটার কারণে বেশ কিছু বিক্ষোভকারী নিহত এবং আরও বহু আহত হয়েছে”। “বিভিন্ন জঙ্গিবাদ দমন অভিযানে ভারতীয় সেনারা যে সব মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, সেগুলোর জন্য তাদেরকে খুব কম সময়ই বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে”।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, মারাত্মক ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীকে দায়মুক্তি দেয়ার জন্য আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট (এএফএসপিএ) করা হয়েছে, যেটার কারণে তারা বাধাহীনভাবে শক্তির অপব্যবহার করে যাচ্ছে। ১৯৯০ সালে কাশ্মীরে এই আইন কার্যকর করার পর থেকে ভারত সরকার কোন একটি মামলাতেও সামরিক বাহিনীদের সদস্যদের বিরুদ্ধে বেসামরিক আদালতে মামলা করতে দেয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *