আজব দুনিয়া

মুরগির ডিম–মাংসকে নিরামিষ ঘোষণা করা হোক, দাবি শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউতের

  • 265
  •  
  •  
  •  
    265
    Shares

বিবি নিউজ ডেস্ক : বিতর্কিত বা যুক্তিহীন মন্তব্য করার মতো রাজনৈতিক নেতাদের অভাব নেই আমাদের দেশে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউতের নাম। সঞ্জয়ের দাবি, মুরগির মাংস ও ডিমকে নিরামিষ খাবার হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। রাজ্যসভার এই সাংসদের অনুরোধ আয়ুর্বেদ, যোগ, ইউনানি এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকরাও যেন মুরগির ডিম ও মাংসকে নিরামিষ হিসেবে গণ্য করেন। মুম্বইয়ের একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেন, ‘আমি অনেক গ্রাম্য এলাকায় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় দেখেছি ডিম ও মাংস খেয়ে রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার মানে ডিম ও মাংসের রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা আছে। তাছাড়া প্রোটিনের অভাব মেটে এই খাবারগুলি খেলে। তাই আমার অনুরোধ এগুলিকে নিরামিষ খাবার হিসেবে গণ্য করা হোক।’

রোগ নিরাময়ের জন্য ডিম বা মাংস পথ্য হিসেবে দেন অনেক চিকিৎসকই। তাহলে যদি সেগুলো আমিষ খাবার হিসেবে গণ্য হয়, তাহলে কী অসুবিধা? কেন এগুলিকে নিরামিষ খাবারের মধ্যেই ধরতে হবে? সে প্রশ্নের অবশ্য কোনও উত্তর দেননি সঞ্জয়। অনেকেই মনে করছেন, দেশের কোনও কোনও অঞ্চলে যেভাবে আমিষ খাবার বনাম নিরামিষ খাবার নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবাদ তৈরি করা হচ্ছে, সেগুলোকে উপেক্ষা করে যদি ডিম–মাংসকে নিরামিষ হিসেবে প্রচার করা যায়, তাহলে সাপও মরবে না আবার লাঠিও ভাঙবে। সম্ভবত এই উদ্দেশ্য থেকেই সঞ্জয় ডিম ও মাংসকে নিরামিষ হিসেবে প্রচার করার কথা বলেছেন।

তবে সঞ্জয়ের এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই এর থেকে রসিকতার রসদ খুঁজে পেয়েছেন নেটিজেনরা। টুইটারে এ নিয়ে শুরু হয়েছে রঙ্গ রসিকতা। কেউ বলছেন, ‘তাহলে পাঁঠার মাংস, গোমাংস এবং শূকরের মাংসকেও নিরামিষ বলে ঘোষণা করা হোক। তাহলে মাংস নিয়ে গণপিটুনির ঘটনা কমবে।’ আবার কেউ বলেছেন, ‘এই ধরনের দ্বিচারী মানুষরাই আমাদের দেশ চালাচ্ছেন। এঁরা নিজেরা মুখে মাংসের উপকারিতা স্বীকার করেন। আবার বছরের কোনও কোনও সময় কেউ যাতে মাংস না খেতে পারেন তার জন্য নিজের দলের লোকদের লেলিয়ে দেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *