দেশ

খারাপ খবর, খুব শিগগিরই BSNL’র সঙ্গে বন্ধ হতে চলেছে এমটিএনএল, প্রস্তাব কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের

  • 261
  •  
  •  
  •  
    261
    Shares

বি.বি নিউজ ওয়েবডেস্কঃ দুর্দশা, রক্তক্ষরণ চলছিলই। আর হয়ত বাঁচানো সম্ভব হবে না। এবার হয়তো পাকাপাকিভাবে ঝাঁপ ফেলতে চলেছে দেশের দুই সরকারি টেলি পরিষেবা কেন্দ্র, বিএসএনএল (ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড) এবং এমটিএনএল (মহানগর টেলিফোন নিগম লিমিটেড)। এক সময়ের অপরিহার্য বলে গণ্য হওয়া এই পরিষেবা সংস্থার বিপদের শুরু গত শতকের নয়ের দশক থেকেই। দেশি-বিদেশি একাধিক প্রাইভেট সংস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পেরে উঠছিল না এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা দুটি। প্রচুর পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট জানাচ্ছে, দুই সংস্থা বন্ধ করে দেওয়ার প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।

ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই দুই সংস্থাকে আর্থিক সাহায্য দিতে রাজি নয় অর্থমন্ত্রক। বিএসএনএল-কে বাঁচাতে এই মুহূর্তে প্রয়োজন অন্তত ৭৪০০০ কোটি টাকা। তাই ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (বিএসএনএল) এবং মহানগর টেলিফোন নিগম (এমটিএনএল) বন্ধের প্রস্তাব দেওয়া হল।

গত কয়েক বছর ধরেই অর্থাভাবে ধুঁকছে বিএসএনএল। বর্তমানে বিএসএনএলের অবস্থা খুবই শোচনীয়। প্রতি মাসে আয় এবং ব্যয়ের মধ্যে বিশাল ফারাক থাকছে, যা কোনোভাবেই মেক আপ করা যাচ্ছে না। আর্থিক সাহায্য এখনই না পেলে সংস্থা চালানো কার্যত অসম্ভব হয়ে যাবে।

মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বিএসএনএল-এর মোট ১.৬৫ লক্ষ কর্মচারীদের সমস্ত বকেয়া অর্থ দিতে হলে ৯৫,০০০ কোটি টাকার কম লাগবে। যদিও টেলিকম দফতর থেকে ‘রিভাইভাল প্যাকেজ’ হিসেবে ৭৪,০০০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্র সম্ভবত সেই ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

এমটিএনএল-এরও একই অবস্থা। দেশজুড়ে এমটিএনএল-এর ২২ হাজার কর্মচারী আছে। তাঁদের বেতন দিতে মাসে মাসে যথাক্রমে ৭৫০-৮৫০ কোটি টাকা এবং ১৬০ কোটি টাকার প্রয়োজন। প্রাইভেট সংস্থাগুলির রমরমার বাজারে মুনাফা না হওয়ায় তালা ঝোলানোর সময় এসে গিয়েছে দেশের পথিকৃৎ দুই টেলি সংস্থার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *